এইড বাংলাদেশ কি? 
এইড বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এইড শব্দের অর্থ সাহায্য, সহযোগিতা, ইত্যাদি তাই এইড বাংলাদেশ এর অর্থ হচ্ছে মানুষকে সাহায্য করা, সহযোগিতা করা, গরিব অসহায় বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাড়ানো, এতিমদের সাহায্য করা। গরিব, এতিম, দুৎস্থ মানুষের সেবায় এগিয়ে আসায় এইড বাংলাদেশের মুল লক্ষ ও উদ্দেশ।

কার্যকর্মঃ
এইড বাংলাদেশের ৭টি প্রকল্প আছে।        ৫. শীত বস্ত্র বিতরন
১. শিক্ষা                                          ৬. এতিমদের সাহায্য
২. চিকিৎসা                                      ৭. ধর্মিয় সচেতনতা ও সুন্দর সমাজ গঠন
৩. কর্মসংস্থান
৪. দুঃস্ত অসহায়দের সাহায্য

শিক্ষাঃ
শিক্ষা প্রকল্পটির পরিচালনার জন্য একটি পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে যার নাম মোস্তফা পাঠাগার। মোস্তফা পাঠাগারে প্রায় ৫০,০০০ টাকার বিভিন্ন বই আছে। যা স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা ফ্রিতে সাত দিনের মধ্যে বাড়িতে গিয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। এছাড়া মোস্তফা পাঠাগারের বিভিন্ন কার্যক্রম স্থাপন করে, যেমন-

১ রচনা প্রতিযোগিতা, ধর্মীয় জ্ঞান প্রতিযোগিতা।
২ বৃত্তি প্রদান, এতিম বাচ্চাদের পড়াশোনার ব্যয় বহন।
৩ ফ্রি কুরআন শিক্ষা ক্লাস পরিচালনা।
৪ কুরআন তেলওয়াত প্রতিযোগিতা ইত্যাদি।

চিকিৎসা:
বাংলাদেশ গরিব ও অসহায় ব্যক্তিদের জন্য চিকিৎসা সেবা এর ব্যাবস্থা করে। বিশেষ করে এতিম বাচ্চাদের অগ্রাধিকার থাকে তাদের  বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা চেকআপ, পরামর্শ, ঔষুধ ইত্যাদির ব্যাবস্থা করা হয়। ভবিষ্যতে গরিব অসহায়দের জন্য মাসে এক বার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করার পরিকল্পনা আছে।

কর্মসংস্থানঃ
কারিগরী শিক্ষার মাধ্যমে হাতে কলমে শিক্ষা দিয়ে গ্রামের মানুষের কর্মসংস্থান এর ব্যাবস্থা করার একটি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
গবাদী পশু পালন, মাছ চাষ, কৃষি ইত্যাদি।

দুঃস্থ অসহায়দের সাহায্যঃ
প্রতি ঈদে অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে খাবার, কাপড় বিতরন ও বিভিন্ন সময় তাদের সাহায্যে করা হয়।

শীত বস্ত্র বিতরনঃ
প্রতি বছর শীত কালিন সময় এ উত্তর বঙ্গতে প্রচণ্ড শীত হওয়ায় বিভিন্ন সমাজসেবক বা সমাজসেবায় নিয়োজিত সংঘটন এর সহযোগিতায় উওর বঙ্গের অসহায় ব্যক্তিদের শীত বস্ত্র দেওয়া হয়।

এতিমদের সাহায্যঃ 
এতিমদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পরবর্তীতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

ধর্মী চেতনা ও সুন্দর সমাজ গঠনঃ 
ধর্মীয় চেতনাই মানুষ এর খারাপ কাজ থেকে দুরে থাকার এক মাত্র পথ। তাই ধর্মীয় চেতনা বৃদ্ধি এর মাধ্যমে মানুষকে অসামাজিক কার্য্যক্রম থেকে বিরত থাকার বিভিন্ন প্রোগ্রাম প্রতি বছর করা হয়। নাগরিক সচেতন মূলক কাজ, বালক/ বালিকাদের নিয়ে সচেতন মূলক প্রোগাম ইত্যাদি।

আয় এর উৎসঃ  
সমাজসেবক বা সমাজসেবায় নিয়োজিত সংঘটন এর সহযোগিতার টাকা দিয়ে আমাদের এই কার্য্যক্রম পরিচালিত হয়। আপনার সামান্য সহযোগিতায় কোন এতিম উপকৃত হচ্ছে, কেউ চিকিৎসা পাচ্ছে, কেউ কাপড় পাচ্ছে, কেউ কুরআন শিক্ষাতে পারছে তাই আসুন আমরা সবাই মিলে একটু সাহায্য করে সমাজকে সুন্দর ভাবে গড়ে তুলি।